![]() |
| কমলার উপকারিতা |
* জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য একটি ফল কমলা। এটি সারা বছরই পাওয়া যায় এবং দামেও সস্তা। তাই এটি আর এখন বিদেশি কোনো ফল নয়।জনপ্রিয় এই ফলটির পুষ্টিগুন কি, আমরা সবাই হইতো জানি না।
কমলার উপকারিতা ও পুষ্টিগুন হলো......ঃ
১) ১০০ গ্রাম কমলাতে আছে ভিটামিন বি ০,৮ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৩ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৩০০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২৩ মিলিগ্রাম।
২) দৈনিক যতটুকু যতটুকু ভিটামিন সি প্রয়োজন তার প্রায় সবটায় একটি কমলা থেকে সরবরাহ হতে পারে।
৩) কমলায় আছে শক্তি সরবরাহকারী চর্বিমুক্ত ৮০ ক্যালারি, যা শক্তির ধাপগুলোর জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
৪) কমলায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা ক্যান্সার প্রতিরোধক,সাস্থ্যকর, রক্ত তৈরিকারক এবং ক্ষত আরোগ্যকারী হিসাবে খুবই উপযোগী।
৫) কমলা বি ভিটামিন ফোলেটের খুব ভালো উৎস, যা জন্মগত ত্রুটি এবং হৃদরোগের জন্য ভালো কাজ করে।
৬) প্রতিদিনকার প্রয়োজনিয় পটাসিয়ামের ৭ ভাগ পূরন করা সম্ভব কমলা দিয়ে। যা শরিরের তরলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজন।
৭) কমলাতে উপস্তিত এন্টি-অক্সিডেন্ট ফ্রি যার্ডিকেল ড্যামেজ করে। ফলে ত্বকে সজীবতা বজায় থাকে।
৮) এতে উপস্তিত এন্টি-অক্সিডেন্ট বিভিন্ন ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৯) কমলাতে উপস্তিত বিটা ক্যারোটিন সেল ড্যামেজ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১০) এর ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড় গঠনে সাহাজ্য করে। ম্যাগনেসিয়াম থাকায় ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
১১) পটাসিয়াম ইকেট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখে এবং কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম ভালো রাখতে সহায়তা করে।
১২) কমলাতে উপস্তিত লিমিনয়েড মুখ,ত্বক,ফুসফুস, পাকস্তলীকে কোমল রাখে এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১৩) ডায়েবেটিস প্রতিরোধ এবং এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় ওজন কমাতেও সহায়তা করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন