কিন্তু বেশ সহজেয় এই বিশ্রী ফাটা দাগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব ।জানতে চান কিভাবে ? চলুন তাহলে জেনে নেওয়া জাক খুব সহজে পদ্ধতিগুলো ।
আমন্ড অয়েল ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী। যার ফলে স্ট্রেচ মার্ক সহ অন্যান্য দাগ দূর হয় সহজেই।
আমন্ড অয়েলের সাথে বেসন মিশিয়ে পেষ্টের মতো তৈরি করে নিন ।এই পেষ্টটি ত্বকে ভালো করে
ম্যাসাজ করুন। দিনে অন্তত ২ বার এই পেষ্টটি ম্যাসেজ করে নেবেন। এতে করে স্ট্রেচ মার্ক্ষুব দ্রুত দূর হয়ে
যাবে। এই পেষ্টটি গর্ভধারনের প্রথম ট্রাইমেস্টার থেকে পেটে ম্যাসেজ করার করলে স্ট্রেচ মার্ক
তৈরিই হবে না।
এলোভেরা ত্বকের নানা দাগ দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী ।ত্বকের স্ট্রেচমার্কও এলোভেরা
দূর করে খুব সহজেই। এলোভেরার তাজা পাতা নিয়ে এর সবুজ অংশ ফেলে ভেতরের জেল
ভের করে নিন।এই জেল স্টেচ মার্কের উপর ঘষে নিন ১০ মিনিট।
ভালো করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষবেন, এতে ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। প্রতিদিন
এই পদ্ধতি ব্যাবহার করুন।কিছুদিনের মধ্যেই ঘার, গলা পেট ও দেহের অন্যান্য স্থান
হতে ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক মিলিয়ে যাবে।
ডিমের সাদা অংশ মাত্রিত্বজনিত দাগ দূর করার জন্য খুবই ভালো একটি উপাদান।ডিমের
এমাইনো এসিড ও প্রোটিন ত্বককে নতুন জীবন দান করতে সক্ষম।
প্রতিদিন গোসলের আগে ডিমের সাদা অংশ কাঁটা চামচ দিয়ে ভালো করে ফাটিয়ে নিয়ে
দাগের মধ্য মেকাপ ব্রাশ দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে । পুরোপুরি শুকিয়ে এলে ঠান্ডা জল দিয়ে
ধুয়ে ফেলতে হবে।পরিষ্কার নরম কাপর দিয়ে পেট মুছে নিয়ে লাগাতে হবে অলিভ অয়েল যেন
ত্বক ময়েসচারাইজড থাকে । এ পদ্ধতি ২ সপ্তাহ অবলম্ভন করলে দাগ চলে যাবে অনেকাংশেই।
দেহের ভিটামিন সি,র চাহিদা মেটানোর জন্য লেবুর তুলনা অতুলনীয়। লেবু যেহেতু
এসিডিক তাই এর রস জেকোনো দাগ দূর করতে খুব কার্জকরী ।লেবু টুকরো করে কেটে
নিয়ে পেটের দাগের অংশে হালকা ভাবে ম্যাসাজ করতে হবে ।তবে খেয়াল রাখতে হবে
যেনো লেবুর রস ভালো মত ত্বকে লাগে.৩-৪ মিনিট ম্যাসাজ করার পর ১০ মিনিটের জন্য পেটে
লেবুর রস লাগা অবস্থাই রাখতে হবে । এরপ উষ্ণ জলে ধুয়ে নিতে হবে । লেবুর রসের সাথে
খানিকটা শশার রস লাগালেও উপকার পাওয়া যাবে । মাতৃত্বজনিত দাগ হালকা করার
জন্য এটি খুবই ভালো একটি উপাই।
পেটের দাগ দূর করার জন্য ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে পেট ম্যাসেজ করে একটি পাতলা
কাপর দিয়ে ত্বক ঢেকে দিতে হবে ।এরপর একটি হট ওয়াটার ব্যাগ তার উপর রেখে ৩০ মিনিট
রাখতে হবে ।এরপর স্নান করাই ভালো । এটা অন্তত ১ মাস করলে মাতৃত্বজনিত দাগ
প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিন । বাজারে অনেক ক্রিম পাওয়া যায়। চিকিৎসক কে বলুন, উনি
ক্রিম বলে দেবেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন