![]() |
| fitness |
জেনে নিন মোটা হওয়ার টিপসঃ
* সকাল বেলা তারাতারি ঘুম থেকে উঠুন। রাতে ভালো
ঘুম না হলেও উঠা উচিত। সকালে তারাতারি উঠা মানে
নিজেকে সারাদিনের জন্য প্রফুল্ল চিত্তে রাখা।
প্রথমে এক গ্লাস পানি খেয়ে হাল্কা ব্যায়াম করে আসুন । যদি শুকনো দেহে কুলোয়, তবে
১২ ইঞ্চি দুটো ইট দিয়ে প্রথমদিন থেকেই হাতের ব্যায়াম করতে থাকুন। যত বেশি পারবেন,
তত আপনার মাসল উন্নত হবে।
ব্যায়াম করে এসে পুনরায় এক গ্লাস পানি খান।সকালের নাস্তা হয়তো দেরিতে হবে, কিংবা
আপনাকে হয়তো এমন কিছু খেতে দেওয়া হবে যা আপনার রুচিতেয় আসে না।
নো প্রোবলেম, খুজে দেখুন গত রাতের বাসি ভাত আছে কিনা ।যদি থাকে তাহলে একটি পেঁয়াজ
দুটো পোড়া মরিচ আর এক চামচ আয়োডিনযুক্ত গলগন্ড প্রতিরোধকারি লবন নিন।
তারপর পানি দিয়ে পান্তা ভাত তৈরি করে খান। এতে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি যত বড়
খাদকই হন না কেনো আপনার পেট এই পান্তা ভাতের মাধ্যমে ভরে যেতে বাধ্য।
এরপর অনেকে আবার দুপুরের আগে কোন কিছু না খেয়েই থাকেন। কিন্তু আর না এখন থেকে
অবস্যই খেতে হবে।ভাবছেন কি খাবেন ?
দুপুরের জন্য যে ভাত রান্না হয়েছে তার মালসার মধ্য দেখুন অতান্ত পুস্টিকর ভাতের মাড়
বা ফেন, যা প্রায় সময়ই গরুকে খাওয়ানো হয়, (ইহা আবার রাতের ব্যাধির জন্য উপকারীও
বটে) সবটুকু নিন।
তারপর লবন দিয়ে সুন্দরভাবে নাড়াচাড়া করে খেয়ে দেখবেন অত্যান্ত সুস্বাদু হয়েছে।
খাওয়ার পর আপনার মনে হবে আজ সারাদিন না খেলেও আপনার পেট ভরা থাকবে।
এই মনে হয়াটাকে পাত্তা দিবেন না।
দুপুরের ভাত যাতে ঠিকমত খেতে পারেন তার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহন করুন।
বাইরে থেকে ঘুরে আসুন। পকেটে কিছু টাকা থাকলে দোকান হতে চা খেয়ে আসুন। আর অবস্যই
একটা লম্বা হাটা দিয়ে আসবেন। তাহলে পেটটা খালি হওয়া শুরু হবে।এরপর বাসাই এসে যেই
তরকারীই থাকুক না কেনো আপনার ন্রিকেল তেলে শিশি হতে বোতলের মুখে যে কর্ক রয়েছে তার
পুরোটা ভর্তি করে সেই তেল মিশিয়ে ভাতের সাথে খেয়ে ফেলুন।এতে আপনার ভূরি তৈরি করার জন্য
পেট অসাধারন এক উৎসাহ পাবে।
ভাত খাওয়া শেষে বিকালের আগ পর্যন্ত একটানা ঘুম দিবেন। দেখবেন ঘুম থেকে উঠার পর শরীরটা
একদম ঝরঝরে মনে হচ্ছে। বিকালে খাওয়ার কিছু নেই এই ভেবে আপনার মন খারাপ হচ্ছে?
নো টেনশন, যেসব বন্ধু-বান্ধবদের সাথে অনেকদিন ধরে দেখা নেই তাদের বাসাই হাজির হয়ে যান।
কিংবা পরিচিত বড় ভাইওথবা ছোট ভাই হলেও সমস্যা নেই।
দেখবেন বেশ কয়েকদিন পর আপনাকে দেখে তারা অন্যাধরনের এক অভ্যার্থনা জানাবেন।
সেই সাথে সময় বুঝে বিকালে এসেছেন বলে হাল্কা নাস্তা পানি এবং চা প্রদানেসচেষ্ট হবেন তারা।
এই সুজোক পুরোপুরি কাজে লাগান। সবাই ভদ্রতা করে বলে,থাক এসবের কি দরকার ছিলো!
আপনি এসব না বলে বলুন যে খিদেই আপনার পেট চো চো করছে, দেখবেন আপনার জন্য
কিছু বেশি খাদ্য খানার ব্যাবস্তা করা হবে।সব খাবার আবার আপনি নিঃশব্দে খেয়ে ফেলবেন
না যেনো। স্বাভাবিকভাবেই আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যান। পাশাপাশি সব খাবার আপনার পেটে
চালান করুন।
তারপর আরেক দিন আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেই নিন। আর রাতের খাবার তো আপনার বাসাই
অপেক্ষা করছে।
সারাদিনের ঘোরাঘুরি এবং ছুটোন্ত চলন্ত ধান্দা সেষে আপনার রাতে হইতো বেশি ক্ষিদা লাগবে।
আহার করুন যতটুকু আপনার পেটে সংকুলান হয়।
আপনি এভাবে ৩/৪ দিন কাটালে খাবারের প্রতি আপনার অন্যরকম এক আগ্রহ প্রকাশ পাবে।
খাদ্যের স্বাদ আপনি হাড়ে-পিঠে টের পাবেন। প্রত্যেকদিন এই রুটিন অনুযায়ী চলবেন মাত্র
এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত।
ইনশাআল্লাহ, এরপর আপনি নিজেকে চিনিতে পারবেন না। মনে হবে আপনি গরুর দুধের
খামার হতে উঠে এসেছেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন